কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান
প্রিয় ব্লগার ভাই ও বোনেরা।আমি টিপু সুলতান।আমি এই ব্লগটা খুলেছি শুধু মাত্র আপনাদের জন্য।আমি এই ব্লগের মাধ্যমে আমার আশে পাশে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন মজার ভিডিও, বিভিন্ন নিউজ সহ এখানে আপনাদের জন্য তুলে ধরার চেষ্টা করবো।সাথে আপডেট বিভিন্ন বাংলা, হিন্দি, তামিল সহ আরো অনেক গান আপলোড দিব।এখন কথা হচ্ছে।আমি যদি আপনাদের সহযোগিতা না পাই তাহলে কিন্তু হবে না।প্লিজ হেল্প মি......................................
Tuesday, July 5, 2016
বাংলাদেশে জরায়ুর ক্যান্সার হচ্ছে বছরে ১২ হাজার নারীর
বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১২ হাজার নারী জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে বলে একটি পরিসংখ্যানে বলা হচ্ছে।
কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাল্যবিবাহ, কম বয়েসে বা ঘন ঘন সন্তান হওয়া, ব্যক্তিগত অপরিচ্ছন্নতা এসবই এর প্রধান কারণ – যা সচেতন হলে অনেকাংশেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।
আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের পরেই এই জরায়ুর ক্যান্সারের স্থান।
একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আজ থেকে জরায়ু ক্যান্সার নিয়ে একটি সচেতনতা কার্যক্রম শুরু করেছে। জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন এই উদ্যোগের সাথে জড়িত আছেন।
ডা: রাসকিন বিবিসি বাংলাকে বলেন, বাল্য বিবাহ, অল্প বযেসে সন্তান হওয়া, ঘন ঘন সন্তান হওয়া, ব্যক্তিগত অপরিচ্ছন্নতা – এসবই জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার প্রধান কারণ। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর নারীদের মধ্যে এর প্রকোপ বেশি দেখা যায়।
সচেতনতা থাকলেই এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব, বলেন তিনি। তা ছাড়া এই রোগটি আগ্রাসী পর্যায়ে পৌছাতে ২০-২৫ বছর সময় লাগে – ফলে একটি সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমেই এটা ধরা পড়া সম্ভব।
প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসার মাধ্যমে এর নিরাময় করা যাবে, বলছিলেন ডা. রাসকিন।
তিনি বলেন, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে জরায়ু কেটে বাদ না দিয়েও এর চিকিৎসা সম্ভব।
ডা. রাসকিন বলছিলেন, সচেতনতা সৃষ্টির জন্য তারা শহর ও গ্রামে প্রচুর পরিমাণ পোস্টার ও লিফলেট বিলি করছেন, র্যালি করছেন। এর মাধ্যমে জরায়ুর ক্যান্সারের ঝুঁকি এবং কারণগুলো বাংলাদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে।
কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাল্যবিবাহ, কম বয়েসে বা ঘন ঘন সন্তান হওয়া, ব্যক্তিগত অপরিচ্ছন্নতা এসবই এর প্রধান কারণ – যা সচেতন হলে অনেকাংশেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।
আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের পরেই এই জরায়ুর ক্যান্সারের স্থান।
একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আজ থেকে জরায়ু ক্যান্সার নিয়ে একটি সচেতনতা কার্যক্রম শুরু করেছে। জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন এই উদ্যোগের সাথে জড়িত আছেন।
ডা: রাসকিন বিবিসি বাংলাকে বলেন, বাল্য বিবাহ, অল্প বযেসে সন্তান হওয়া, ঘন ঘন সন্তান হওয়া, ব্যক্তিগত অপরিচ্ছন্নতা – এসবই জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার প্রধান কারণ। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর নারীদের মধ্যে এর প্রকোপ বেশি দেখা যায়।
সচেতনতা থাকলেই এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব, বলেন তিনি। তা ছাড়া এই রোগটি আগ্রাসী পর্যায়ে পৌছাতে ২০-২৫ বছর সময় লাগে – ফলে একটি সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমেই এটা ধরা পড়া সম্ভব।
প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসার মাধ্যমে এর নিরাময় করা যাবে, বলছিলেন ডা. রাসকিন।
তিনি বলেন, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে জরায়ু কেটে বাদ না দিয়েও এর চিকিৎসা সম্ভব।
ডা. রাসকিন বলছিলেন, সচেতনতা সৃষ্টির জন্য তারা শহর ও গ্রামে প্রচুর পরিমাণ পোস্টার ও লিফলেট বিলি করছেন, র্যালি করছেন। এর মাধ্যমে জরায়ুর ক্যান্সারের ঝুঁকি এবং কারণগুলো বাংলাদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে।
Tuesday, May 31, 2016
Friday, May 13, 2016
মুস্তাফিজের জন্য সংসার ভাঙার জোগাড় অধ্যাপকের
অনুষ্ঠানটা ছিল এশিয়াটিক সোসাইটির চতুর্থ মাসিক সাধারণ সভা। আর আলোচনার বিষয় ছিল ‘বৈশ্বিক প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক’। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন।
কিন্তু সেখানে উঠে এলো খেলাধুলার প্রসঙ্গ, আর হালের বোলিং সেনসেশন মুস্তাফিজুর রহমানের নাম। বিষয়টি শুধু বাংলাদেশের বাঁ-হাতি পেসারের প্রশংসায় সীমাবদ্ধ থাকলেও হতো। আলোচক রীতিমতো গুরুতর অভিযোগ করে বসলেন। মুস্তাফিজের কারণেই নাকি তাঁর সংসার ভাঙার জোগাড় হতে বসেছে!
বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বলেন, ‘আমি বিরাট কোহলির ভক্ত। কিন্তু আমার ছেলেমেয়েরা মুস্তাফিজের দারুণ ভক্ত। আমার বউও ছেলেমেয়েদেরই দলে। তাই এমন হয়েছে মুস্তাফিজের কারণেই আমার সংসার ভাঙার জোগাড়।’
মুস্তাফিজের প্রশংসা করে এই ভারতীয় শিক্ষাবিদ আরো বলেন, ‘এখন ভারতে মুস্তাফিজের যত ভক্ত আছে, তারকা ব্যাটসম্যান কোহলিরও ততটা নেই। আইপিএলে সানরাজার্স হায়দরাবাদের হয়ে সে যেভাবে খেলছে, তা সত্যিই প্রশংসা করার মতো। স্বাভাবিক কারণে তাঁর ভক্ত সমর্থকের সংখ্যাও বাড়বে।’
আসলেও তাই, আইপিএলে দুর্দান্ত খেলছেন মুস্তাফিজ। এখন পর্যন্ত ১০ ম্যাচ খেলে তিনি নিয়েছেন ১৩টি উইকেট। সেই সঙ্গে তাঁর ইকোনমি রেটটাও নজর কাড়া। মাত্র ৬.১৮। আইপিএলে অন্তত ১০ ওভার বল করেছেন, এমন বোলারদের মধ্যে মুস্তাফিজই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলার।
Thursday, May 12, 2016
Thursday, December 3, 2015
আপনি কি অনলাইনে আয় করতে চান???
আপনি কি অনলাইনে মাসে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা আয় করতে চান???
তাহলে জলদি জলদি এখানে ক্লিক করে ভিডিওটা দেখে কাজ শুরু করেন।
তাহলে জলদি জলদি এখানে ক্লিক করে ভিডিওটা দেখে কাজ শুরু করেন।
Wednesday, December 2, 2015
Subscribe to:
Posts (Atom)
